সন্দ্বীপে শীর্ষ সন্ত্রাসী বাবলুসহ ২ জন গ্রেপ্তার, বিপুল অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার

Written by

in

  1. নিজস্ব প্রতিবেদক | চট্টগ্রাম
    সন্দ্বীপে বিশেষ অভিযানে শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘ছেনী বাবলু’সহ ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশ। একই অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করা হয়েছে।
    চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মাসুদ আলম, বিপিএম মহোদয় ০৭ মে ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ তারিখে জেলায় যোগদানের পর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, সন্ত্রাস ও অপরাধ দমন এবং অবৈধ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদক উদ্ধারে বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করেন। তাঁর নির্দেশনায় জেলার সকল থানা এলাকায় সন্ত্রাসবিরোধী ও অপরাধ দমনমূলক অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
    এরই ধারাবাহিকতায় সন্দ্বীপ থানার একটি বিশেষ অভিযানে শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত মিলাদ হোসেন বাবলু ওরফে ছেনী বাবলু (৩৫), পিতা- শফি মেম্বার এবং মোঃ জুয়েল রানা (৩৬), পিতা- মৃত আবুল কাশেমকে গ্রেপ্তার করা হয়।
    গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাহের বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ০৩টি দেশীয় এলজি, ০৪টি কার্তুজ, ০১টি ছেনি, ০১টি চাপাতি এবং নগদ ১১,২২০/- (এগারো হাজার দুইশত বিশ) টাকা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ৩১৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
    পুলিশের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত মিলাদ হোসেন বাবলু দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে এবং তার নামে ২০টি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও মাদক সংক্রান্ত ঘটনায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।
    পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় পরিচালিত অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে অদ্যাবধি জেলার ১৭টি থানা এলাকায় মোট ১৩টি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, ৯টি মামলা রুজু এবং ১৮ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
    এছাড়া মাদকবিরোধী অভিযানে এ পর্যন্ত ২,৪৫,০৮৩ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৯২ কেজি গাঁজা এবং অন্যান্য মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত ১৫২টি মামলা রুজু করা হয়েছে এবং ১৯৫ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
    ডাকাতি ও ডাকাতি প্রস্তুতি সংক্রান্ত ৫টি মামলায় ১৪ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বিভিন্ন ডাকাতির আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।
    চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে বদ্ধপরিকর। জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *