চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:
চন্দনাইশ পৌরসভা ছাত্রদলের আসন্ন কমিটিকে ঘিরে সভাপতি প্রত্যাশীদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন আবু হাসনাত সাজিদ। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তিনি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন।
দলীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সংগঠনের কার্যক্রমে নিয়মিত অংশগ্রহণ, কর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক এবং সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে সভাপতি প্রত্যাশী হিসেবে তাঁর নাম আলোচনায় এসেছে। এছাড়া, বিভিন্ন সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, জুলাইয়ের গণআন্দোলনেও তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের আলোচনায় কয়েকজন সম্ভাব্য প্রার্থীর সঙ্গে আবু হাসনাত সাজিদের নামও গুরুত্বের সঙ্গে উচ্চারিত হচ্ছে। তবে চূড়ান্ত নেতৃত্ব নির্বাচন সম্পূর্ণভাবে দলীয় সিদ্ধান্ত ও সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে।
এ বিষয়ে আবু হাসনাত সাজিদ বলেন, “দল যদি আমার ওপর আস্থা রাখে, তাহলে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করব। আমার লক্ষ্য সব সময় দলের আদর্শ ও সাংগঠনিক কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়া।”
Category: Politics
-

চন্দনাইশ পৌরসভা ছাত্রদলের সভাপতি প্রত্যাশী হিসেবে আলোচনায় আবু হাসনাত সাজিদ
-

দোহাজারী পৌরসভা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় মোঃ হিরু ইসলাম আজাদ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:
দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির বিভিন্ন সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন মোঃ হিরু ইসলাম আজাদ। দলের নেতাকর্মীদের একটি অংশের মতে, আসন্ন দোহাজারী পৌরসভা ছাত্রদলের কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম আলোচনায় রয়েছে।
সাংগঠনিক সূত্রে জানা যায়, তিনি বর্তমানে জিয়া সাইবার ফোর্স (ZCF) চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী প্রযুক্তি দল চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ দোহাজারী পৌরসভা আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদ দোহাজারী পৌরসভার যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছেন।
দলীয় নেতাকর্মীদের দাবি, সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণ, কর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক এবং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কারণে তিনি সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য একজন যোগ্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।
তবে দোহাজারী পৌরসভা ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠনের বিষয়ে দলীয় ফোরাম থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। ফলে সাধারণ সম্পাদক পদে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দলীয় নীতিনির্ধারণী মহলের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। -

চন্দনাইশ উপজেলা ছাত্রদলের এক উদীয়মান মুখ— মোঃ ইরফান হোসেন (সাদ্দাম)
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার বৈলতলী ইউনিয়নের একটি সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন মোঃ ইরফান হোসেন (সাদ্দাম)। বর্তমানে তিনি বরমা ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
শ্রম, মেধা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও কর্মতৎপরতার মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যে সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে একজন দায়িত্বশীল ও কর্মঠ ছাত্রনেতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। মিছিল, মিটিং, বিভিন্ন কর্মসূচি এবং সংগঠনের অন্যান্য কার্যক্রমে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ নিয়মিত লক্ষ্য করা যায়।
দলীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা, দায়িত্বশীলতা এবং নেতৃত্বের সক্ষমতার বিবেচনায় আসন্ন চন্দনাইশ উপজেলা ছাত্রদলের কমিটিতে মোঃ ইরফান হোসেন (সাদ্দাম)-কে গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্বে দেখতে চান তৃণমূলের অনেক নেতাকর্মী ও সমর্থক। তাঁদের প্রত্যাশা, তরুণ ও মেধাবী নেতৃত্বের সমন্বয়ে ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। -

তৃণমূলের প্রত্যাশা: চন্দনাইশ উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে ফয়সাল সিকদার সোহানকে দেখতে চান একাংশের নেতাকর্মী
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটিকে ঘিরে তৃণমূলের একাংশের নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা ও প্রত্যাশা দেখা দিয়েছে। তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন-সংগ্রাম ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকা ফয়সাল সিকদার সোহানকে উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হলে সংগঠন আরও গতিশীল হবে।
নেতাকর্মীদের ভাষ্য, রাজনীতিতে পদ-পদবির চেয়ে সাংগঠনিক দক্ষতা, ত্যাগ, কর্মীদের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক এবং আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় উপস্থিতি অধিক গুরুত্বপূর্ণ। তাদের মতে, ফয়সাল সিকদার সোহান দীর্ঘদিন ধরে মাঠপর্যায়ে সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন।
তৃণমূলের একাংশের নেতাকর্মীরা জানান, সাধারণ কর্মীদের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে ধারাবাহিক সম্পৃক্ততার কারণে তিনি কর্মীদের আস্থা অর্জন করেছেন। তাদের প্রত্যাশা, যোগ্য ও পরীক্ষিত নেতৃত্বের যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে।
এদিকে, উপজেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠনের বিষয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন নেতাকর্মীরা। তাদের আশা, তৃণমূলের মতামত ও সাংগঠনিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে নেতৃত্ব নির্বাচন করা হবে।
উল্লেখ্য, ফয়সাল সিকদার সোহানকে সভাপতি হিসেবে দেখতে চাওয়ার বিষয়টি তৃণমূলের একাংশের নেতাকর্মীদের মতামত ও প্রত্যাশার ভিত্তিতে উপস্থাপিত হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেনি। -

চন্দনাইশ উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদে আয়াত হেলাল উদ্দীন তানভীরকে চান তৃণমূলের একাংশ
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চন্দনাইশ উপজেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা-প্রত্যাশা বাড়ছে। বিভিন্ন দলীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদে আয়াত মো. হেলাল উদ্দীন তানভীরকে দেখতে চান তৃণমূলের একাংশের নেতাকর্মী।
সূত্রগুলো জানায়, দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন-সংগ্রাম, সাংগঠনিক কার্যক্রম এবং দলীয় কর্মসূচিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখায় তানভীর নেতাকর্মীদের মধ্যে একটি গ্রহণযোগ্য অবস্থান তৈরি করেছেন। তাদের দাবি, যোগ্যতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও ত্যাগের মূল্যায়ন হলে তিনি সভাপতি পদের একজন শক্তিশালী দাবিদার হতে পারেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক নেতাকর্মী বলেন, দলের বিভিন্ন সংকটময় সময়ে তানভীর মাঠপর্যায়ে থেকে সাংগঠনিক কার্যক্রমে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার নেতৃত্বে উপজেলা ছাত্রদল আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত হবে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে আয়াত মো. হেলাল উদ্দীন তানভীর বলেন, “আমি সবসময় দলের আদর্শ, শৃঙ্খলা ও সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। দল যেকোনো দায়িত্ব দিলে নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে পালন করার চেষ্টা করব। সংগঠনের স্বার্থই আমার কাছে সর্বাগ্রে।”
তবে উপজেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি নিয়ে এখনো কেন্দ্রীয় বা জেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। সংশ্লিষ্ট নেতারা বলছেন, সাংগঠনিক প্রক্রিয়া শেষে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে। -
চন্দনাইশ উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদে আলোচনায় আব্দুল মন্নান (হৃদয়)
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :চট্টগ্রামের দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের রাজনীতিতে পরিচিত মুখ এবং দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আব্দুল মন্নান (হৃদয়) চন্দনাইশ উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবে নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক আলোচনায় রয়েছেন। তৃণমূল নেতাকর্মীদের অনেকেই মনে করেন, তার নেতৃত্বে সংগঠন আরও শক্তিশালী, সুসংগঠিত ও গতিশীল হবে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, ছাত্রদলের দুঃসময়ে দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে সক্রিয় থেকে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন আব্দুল মন্নান (হৃদয়)। রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিতে গিয়ে তিনি একাধিকবার মামলা ও হামলার শিকার হয়েছেন। এছাড়া জুলাই-আগস্টের আন্দোলনেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সামনের সারিতে থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন বলে দাবি করেছেন তার সহকর্মীরা।
রাজনৈতিক জীবনে তিনি চট্টগ্রাম আইন কলেজ ছাত্রদলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সদস্য হিসেবে সংগঠনের কার্যক্রমে সক্রিয় রয়েছেন।
নেতাকর্মীদের ভাষ্য, শিক্ষিত, ত্যাগী, পরিশ্রমী ও সাংগঠনিক দক্ষতাসম্পন্ন নেতা হিসেবে আব্দুল মন্নানের দীর্ঘদিনের ত্যাগ, সংগ্রাম ও রাজনৈতিক অবদান মূল্যায়ন করে তাকে চন্দনাইশ উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদে দায়িত্ব দেওয়া উচিত।
এ বিষয়ে আব্দুল মন্নান (হৃদয়) বলেন, “আমার রাজনৈতিক অভিভাবক চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও চন্দনাইশ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব নুরুল আনোয়ার চৌধুরী ভাইয়ের কাছে বিনীত অনুরোধ থাকবে—আমি আব্দুল মন্নান হৃদয়কে নয়, ছাত্রদলের জন্য দেওয়া আমার দীর্ঘ ১৬ বছরের ত্যাগ, পরিশ্রম ও সোনালি সময়কে মূল্যায়ন করবেন। যদি আমাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়, তাহলে দোহাজারী পৌরসভা, চন্দনাইশ পৌরসভা, নয়টি ইউনিয়নসহ স্কুল, মাদ্রাসা ও কলেজ পর্যায়ে ত্যাগী, শিক্ষিত ও মার্জিত ছাত্রদের নিয়ে শক্তিশালী ও সুসংগঠিত ছাত্রদলের কমিটি গঠন করা হবে। ঐক্যবদ্ধ ছাত্রদলই হবে আগামীর শক্তি।” -

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন সাবেক সমন্বয়ক রিদুয়ান সিদ্দিকী
নিজস্ব প্রতিবেদন,চট্টগ্রাম :
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রাকিব উদ্দিন রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ১৯ জুন (শুক্রবার) বিকেলে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। উক্ত ঘোষিত কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন ছাত্রনেতা রিদুয়ান সিদ্দিকী।
উল্লেখ্য, রিদুয়ান সিদ্দিকী সাম্প্রতিক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে চট্টগ্রামের অন্যতম সমন্বয়ক হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। পাশাপাশি তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন (সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়) এর কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্বও পালন করেন।
কমিটিতে দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় রিদুয়ান সিদ্দিকী বলেন—
“তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে এবং ছাত্রদলকে আরও গতিশীল করতে আমি কাজ করে যাব। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রাজপথের লড়াইয়ের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আগামী দিনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায় এবং চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলকে একটি সুসংগঠিত ইউনিট হিসেবে গড়ে তোলাই আমার মূল লক্ষ্য। আমাকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এবং একই সাথে ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমার রাজনৈতিক অভিভাবক ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীনকে।”
রাজনৈতিক অঙ্গনে রিদুয়ান সিদ্দিকী বর্তমানে ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীনের একজন ঘনিষ্ঠ অনুসারী হিসেবে পরিচিত।
ছাত্ররাজনীতির পাশাপাশি তিনি দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামের বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক সংগঠনের সাথে যুক্ত থেকে জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন। -

রাউজানে সশস্ত্র হামলায় যুবদল নেতার মৃত্যু
নিজস্ব প্রতিবেদক
চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার একটি ব্যস্ত বাজারে সশস্ত্র হামলায় যুবদল নেতা মাসুদুল হক চৌধুরী (৪৫) নিহত হয়েছেন। শনিবার দুপুরে উপজেলার পাহাড়তলী ইউনিয়নের চৌমুহনী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত মাসুদুল হক চৌধুরী রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। তিনি রাঙ্গুনিয়ার বেতাগী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মুহাম্মদ স্বপনের ছোট ভাই।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরের দিকে বাজার এলাকায় অবস্থানকালে একদল অস্ত্রধারী ব্যক্তি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় এসে তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। হামলায় তিনি গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুলির শব্দে বাজারজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ছুটোছুটি করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ এবং জড়িতদের পরিচয় উদ্ঘাটনে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
রাউজান-রাঙ্গুনিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুহাম্মদ বেলায়াত হোসেন বলেন, ঘটনাস্থলে একজনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও আটকের জন্য পুলিশ কাজ করছে। -
চন্দনাইশে এলডিপি ছাড়লেন সহস্রাধিক নেতাকর্মী, বিএনপিতে যোগদান।
চন্দনাইশে এলডিপি ছাড়লেন সহস্রাধিক নেতাকর্মী, বিএনপিতে যোগদান।

চন্দনাইশ প্রতিনিধি
চট্টগ্রামের চন্দনাইশে এলডিপি ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন সহস্রাধিক নেতাকর্মী। শুক্রবার (১৫ মে) বিকেলে উপজেলার মক্কা পেট্রল পাম্প সংলগ্ন মাঠে আয়োজিত এক যোগদান অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জসিম উদ্দিন আহমেদের হাতে তারা বিএনপিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন।
যোগদানকারীদের মধ্যে রয়েছেন উপজেলা এলডিপির সহসভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী, চন্দনাইশ পৌর এলডিপির সাধারণ সম্পাদক আখতার আলম, পৌর গণতান্ত্রিক যুবদলের সভাপতি মো. মহিউদ্দিন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. ইউছুপ, উপজেলা গণতান্ত্রিক যুবদলের সাবেক সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, পৌরসভা কৃষক দলের সদস্য সচিব এনামুল হকসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী।
অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিরাজুল ইসলাম সওদাগরের সভাপতিত্বে এবং জেলা যুবদলের সহসভাপতি সিরাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব এম এ হাশেম রাজু, দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মঞ্জুরুল আলম, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদুর রহমান, চন্দনাইশ পৌর যুবদল আহ্বায়ক আজম খান, সচিব শহিদুল ইসলাম, দোহাজারী পৌর যুবদলের আহ্বায়ক ইফতিয়ার উদ্দিন সুমন, যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জাহিদুল ইসলাম শ্রাবণ এবং সচিব মো. মাহফুজ প্রমুখ।
-
জামিয়াতুল ফালাহ মসজিদের সামনে মিছিল: সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার ১৯
জামিয়াতুল ফালাহ মসজিদের সামনে মিছিল: সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার ১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:
চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালী থানাধীন জামিয়াতুল ফালাহ জামে মসজিদের সামনে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের মিছিলের ঘটনায় ১৯ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)।
পুলিশ জানায়, গত ১৪ মে সাবেক সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের জানাজা শেষে জামিয়াতুল ফালাহ মসজিদের সামনে একদল ব্যক্তি সরকারবিরোধী স্লোগান দিয়ে মিছিল বের করে। এসময় তাদের হাতে লাঠিসোটা ও ইট-পাটকেল ছিল বলে দাবি পুলিশের।
ঘটনার সময় কোতোয়ালী থানার এসআই শরীফ উদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে দায়িত্ব পালনকালে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে মিছিলে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা বিভিন্ন অলিগলি দিয়ে পালিয়ে যায়। এসময় ঘটনাস্থল থেকে ১৫টি ইটের ভাঙা টুকরা ও ৮টি কাঠের লাঠি জব্দ করা হয়।
পরবর্তীতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিএমপির দক্ষিণ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূঁইয়ার সার্বিক দিকনির্দেশনায়, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) ও কোতোয়ালী জোনের সহকারী কমিশনারের তত্ত্বাবধানে কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আফতাব উদ্দিনের নেতৃত্বে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন যুবলীগ নেতা মো. মহিউদ্দিন প্রকাশ মহিউদ্দিন (৩৯), মো. মুর্তুজা মেহেদী প্রকাশ মেহেদী হাসান (২২)সহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালী থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯ (সংশোধনী-২০১৩) এর বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগসহ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের সঙ্গে জড়িত বলে তথ্য পাওয়া গেছে দাবি করে পুলিশ। এছাড়া রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র, নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগও তদন্তে উঠে এসেছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
পুলিশ আরও জানায়, গ্রেফতার হওয়া কয়েকজনের বিরুদ্ধে পূর্বে অস্ত্র, ডাকাতি, চুরি, হত্যা চেষ্টা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে।