Category: Politics

  • এনসিপিতে যোগদানের চাপে আত্মগোপনে ধনকুবের মনজুর আলম!

    এনসিপিতে যোগদানের চাপে আত্মগোপনে ধনকুবের মনজুর আলম!

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) চট্টগ্রাম মহানগরের শীর্ষ পদে যোগ দিচ্ছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) সাবেক মেয়র ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ মনজুর আলম মাসখানেক ধরে চট্টগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনে এমন আলোচনা তুঙ্গে। দলটির পক্ষ থেকে তাকে আসন্ন চসিক নির্বাচনে মেয়র পদে লড়ার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

    সম্প্রতি এনসিপির শীর্ষ নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ চট্টগ্রামে মনজুর আলমের বাসভবনে গিয়ে সাক্ষাৎ করার পর এই গুঞ্জন আরও জোরালো হয়।

    সবশেষ বৃহস্পতিবার (৭ মে) এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ শীর্ষ নেতারা চট্টগ্রাম সফরে যান এবং বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অংশ নেন। এনসিপি নেতাদের চেষ্টা ছিল, ওই অনুষ্ঠানেই মনজুর আলমকে আনুষ্ঠানিকভাবে দলে যোগদান করানো। তবে রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও পারিবারিক চাপে শেষ পর্যন্ত তিনি এনসিপিতে যোগ দেননি বলে জানা

  • চসিক মেয়রের সঙ্গে কসোভো রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    চসিক মেয়রের সঙ্গে কসোভো রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

    বাংলাদেশে নিযুক্ত কসোভো প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রদূত লুলজিম প্লানা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

    সাক্ষাৎকালে তারা পারস্পরিক কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেন। এ সময় চট্টগ্রামের উন্নয়ন, নগর ব্যবস্থাপনা এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাব্য বিভিন্ন ক্ষেত্র নিয়েও মতবিনিময় হয়।

    চসিক মেয়র নগরীর চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম ও নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধিতে গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ সম্পর্কে রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রদূত লুলজিম প্লানা বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির আগ্রহ প্রকাশ করেন।

    সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে উভয় পক্ষ পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • জোয়ারা ইউনিয়নে পরিবর্তনের প্রত্যাশা—চেয়ারম্যান পদে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে কামাল উদ্দীন পারভেজ

    জোয়ারা ইউনিয়নে পরিবর্তনের প্রত্যাশা—চেয়ারম্যান পদে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে কামাল উদ্দীন পারভেজ

    নিজস্ব প্রতিবেদক:
    আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার ২নং জোয়ারা ইউনিয়নে ইতোমধ্যেই বইছে আগাম নির্বাচনী হাওয়া। চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে হাট-বাজার, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম—সবখানেই এখন আলোচনার মূল বিষয় কে হচ্ছেন আগামী দিনের চেয়ারম্যান। এই আলোচনায় নতুন করে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক কামাল উদ্দীন পারভেজ।
    স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় নীরবে কাজ করে যাওয়া এই ব্যক্তি ইতোমধ্যেই সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি কেবল একজন ব্যবসায়ী নন, বরং শিক্ষা, সমাজকল্যাণ ও মানবিক সহায়তার নানা উদ্যোগে যুক্ত থেকে নিজেকে একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
    কামাল উদ্দীন পারভেজ এমন একটি পরিবার থেকে উঠে এসেছেন, যেখানে জনসেবার ঐতিহ্য দীর্ঘদিনের। তার পিতা মরহুম জামাল আহম্মদ ছিলেন ০৮ নং ওয়ার্ডের একজন জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি, যিনি সততা ও নিষ্ঠার জন্য এলাকাবাসীর কাছে আজও স্মরণীয়। সেই আদর্শকে ধারণ করেই পারভেজ নিজেকে জনসেবায় নিয়োজিত রেখেছেন বলে জানান স্থানীয়রা।
    তার সমর্থকদের মতে, বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে জোয়ারা ইউনিয়নে একজন শিক্ষিত, সৎ ও দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রয়োজন রয়েছে—যিনি শুধু উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেবেন না, বরং বাস্তবায়নেও কার্যকর ভূমিকা রাখবেন। তাদের দাবি, কামাল উদ্দীন পারভেজ সেই যোগ্যতা রাখেন। তিনি নির্বাচনে অংশ নিলে ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত ও মাদকমুক্ত জনপদে রূপান্তর করা সম্ভব হবে।
    এদিকে কামাল উদ্দীন পারভেজের ঘনিষ্ঠরা জানান, তিনি ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য নয়, বরং জনগণের প্রত্যাশা ও ভালোবাসার প্রতিদান দিতেই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষ, গরীব ও শ্রমজীবী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নকে তিনি অগ্রাধিকার দিতে চান।
    জোয়ারা ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা এমন একজন চেয়ারম্যান প্রত্যাশা করছেন যিনি সহজে কাছে পাওয়া যাবে, দুর্নীতিমুক্ত থাকবেন এবং বাস্তব উন্নয়নে বিশ্বাসী হবেন। অনেকেই মনে করছেন, কামাল উদ্দীন পারভেজ সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন হতে পারেন।
    সব মিলিয়ে, নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই জোয়ারা ইউনিয়নে রাজনৈতিক সমীকরণ নতুন করে গড়ে উঠছে। আর এই সমীকরণের অন্যতম আলোচিত নাম হয়ে উঠেছেন কামাল উদ্দীন পারভেজ—যাকে ঘিরে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা দিন দিন বাড়ছেই

  • বসন্ত উৎসব ও মিলনমেলায় সম্প্রীতির বার্তা দিলেন ডা. শাহাদাত হোসেন

    বসন্ত উৎসব ও মিলনমেলায় সম্প্রীতির বার্তা দিলেন ডা. শাহাদাত হোসেন

    নিজস্ব  প্রতিবেদক :
    চট্টগ্রামকে সব ধর্মের মানুষের জন্য নিরাপদ, সম্প্রীতিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নগরী হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
    গতকাল শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাতে নগরীর আন্দরকিল্লাস্থ জেএমসেন হলে শ্রীশ্রী বাসন্তী পূজা উপলক্ষে চট্টগ্রাম জেলা বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত বসন্ত উৎসব ও মিলনমেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
    মেয়র বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর গত ১৬ মাসে নগরীতে কোনো সাম্প্রদায়িক সংঘাত ঘটেনি। ভবিষ্যতেও এই সম্প্রীতির ধারা বজায় রাখতে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করা হবে।
    তিনি বলেন, চট্টগ্রাম ঐতিহাসিকভাবে সম্প্রীতির শহর। এখানে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানসহ সব ধর্মের মানুষ যুগ যুগ ধরে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছে। এই ঐতিহ্যকে ধারণ করে চট্টগ্রামকে একটি আধুনিক, মানবিক ও নিরাপদ “সেফ সিটি” হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে।
    তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নগরীকে পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ রাখার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। বড় ধরনের কোনো সাম্প্রদায়িক সংঘাত এখন পর্যন্ত ঘটেনি।
    নগরীর শ্মশান উন্নয়ন প্রসঙ্গে মেয়র জানান, কয়েকটি শ্মশানঘাটে আধুনিক সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং নতুন শ্মশান নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে, যাতে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করা যায়।
    আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, কেউ উসকানি বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর ব্যবস্থা নেবে। নাগরিকদের যেকোনো সমস্যায় থানার পাশাপাশি মেয়রের দপ্তরে যোগাযোগ করার আহ্বান জানান তিনি।
    নগর পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে মেয়র বলেন, যত্রতত্র ময়লা, প্লাস্টিক ও পলিথিন না ফেলে শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। আসন্ন বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসন ও ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে নালা-খাল পরিষ্কার রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
    অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সভাপতি দিলীপ কুমার মজুমদার, অধ্যাপক নারায়ণ কান্তি চৌধুরী, শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরী সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব দে পার্থ। সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নিবাস দাশ সাগর এবং স্বাগত বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক সুগ্রীব মজুমদার দোলন।

  • পদ্মা নদীতে বাস দুর্ঘটনায় প্রাণহানি: গভীর শোক প্রকাশ মোহাম্মদ জসীম উদ্দিনের

    পদ্মা নদীতে বাস দুর্ঘটনায় প্রাণহানি: গভীর শোক প্রকাশ মোহাম্মদ জসীম উদ্দিনের

    রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে মর্মান্তিক প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল কেন্দ্রীয় সংসদ (চট্টগ্রাম বিভাগীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত)।
    এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, এই হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনায় ঝরে যাওয়া প্রতিটি প্রাণ শুধু একটি পরিবারের নয়, বরং পুরো জাতির জন্যই অপূরণীয় ক্ষতি। হঠাৎ করে প্রিয়জন হারানোর বেদনা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।
    তিনি মহান আল্লাহর নিকট নিহতদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
    একই সঙ্গে তিনি বলেন, এই কঠিন সময়ে শোকাহত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো সবার নৈতিক দায়িত্ব। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিহত ও আহতদের পরিবারকে সর্বাত্মক সহায়তা প্রদানের আহ্বান জানান তিনি।

  • চট্টগ্রাম দক্ষিণে প্রযুক্তি দলের ৭১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

    চট্টগ্রাম দক্ষিণে প্রযুক্তি দলের ৭১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

    স্টাফ রিপোর্টার | শরিফ মাহমুদ
    চট্টগ্রাম: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী প্রযুক্তি দল, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার ৭১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। গত ২৫ মার্চ ২০২৬ তারিখে এ কমিটি অনুমোদন করা হয়।
    ঘোষিত কমিটিতে উত্তর সাতকানিয়ার শাহানুল ইসলাম মারুফকে সভাপতি এবং আনোয়ারা উপজেলার মুহাম্মদ আবদুর রহিমকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে।
    কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন—
    সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে বাঁশখালীর জিহাজুল ইসলাম জিয়া;
    সহ-সভাপতি হিসেবে আশিক, সাদ্দাম, এবিএম রহিম, বেলাল উদ্দিন হিরু, আব্দুল্লাহ ফয়সাল, জিকু ও মো. শাকিল;
    সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে সাতকানিয়া উপজেলার জীমন;
    প্রচার সম্পাদক হিসেবে ওমর ফারুক রায়হান;
    সিনিয়র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে লোহাগাড়া উপজেলার মো. মারুফ; এবং
    দপ্তর সম্পাদক হিসেবে মোহাম্মদ সাজ্জাদ দায়িত্ব পেয়েছেন।
    এছাড়াও কমিটির বিভিন্ন পদে উপজেলা পর্যায়ে সহ-সভাপতি, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদস্য মনোনীত করা হয়েছে।
    নবগঠিত এ কমিটির মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও শক্তিশালী হবে বলে সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

  • কেরানীগঞ্জে জিহাদ হত্যাচেষ্টা মামলায় শেখ হাসিনা-ওবায়দুল কাদেরসহ ১২৪ জনকে অব্যাহতি

    কেরানীগঞ্জে জিহাদ হত্যাচেষ্টা মামলায় শেখ হাসিনা-ওবায়দুল কাদেরসহ ১২৪ জনকে অব্যাহতি

    নিজস্ব প্রতিবেদন :পুরান ঢাকার কেরানীগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ঘটে যাওয়া জিহাদ (১১) নামের এক কিশোরকে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ১২৪ জনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

    অব্যাহতি পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই শেখ হেলাল, সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস এবং সাবেক আইজিপি আব্দুল্লাহ আল মামুন।
    তদন্তে দেখা গেছে, ভুক্তভোগী জিহাদ আসলে জীবিত। ঘটনার বর্ণনা ও অবস্থান সম্পর্কে অসঙ্গতি ছিল। হাজারীবাগে আহত হওয়ার ঘটনা কেরানীগঞ্জে ‘হত্যা’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছিল। এসব তথ্য প্রমাণিত হওয়ায় আদালত সব আসামিকে অব্যাহতির আদেশ দেন।
    ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পুলিশের উপ-পরিদর্শক বদিয়ার রহমানের ফাইনাল প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেন। তদন্ত কর্মকর্তা গত বছরের ১১ আগস্ট প্রতিবেদন আদালতে জমা দেন এবং পরবর্তী প্রক্রিয়ায় ৩০ নভেম্বর আদালত সব আসামিকে অব্যাহতি দেন।
    আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, মামলার এজাহার, চার্জশিট এবং ভুক্তভোগীর জবানবন্দি অনুযায়ী, এটি হত্যা মামলা হলেও ভুক্তভোগী জীবিত ছিলেন এবং কেবল জখমপ্রাপ্ত ছিলেন। এই অবস্থায় কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় দায়ের করা মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে সব আসামিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

  • ক্ষমতার জন্য নয়, অধিকার ফেরাতে এসেছি: তারেক রহমান

    ক্ষমতার জন্য নয়, অধিকার ফেরাতে এসেছি: তারেক রহমান

    জাহেদুল ইসলাম শ্রাবণ
    ঢাকা:
    দীর্ঘ সময় পর দেশে ফিরে প্রথম বক্তব্যেই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান শান্তি, ঐক্য ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশ কোনো ব্যক্তি বা দলের একক সম্পত্তি নয়—এই দেশ সবার।”
    নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়ে বলেন, “যেকোনো মূল্যে শান্তি বজায় রাখতে হবে; উসকানি ও বিশৃঙ্খলা দেশের জন্য ক্ষতিকর।” তার বক্তব্যে প্রতিশোধের রাজনীতি পরিহার করে ন্যায়বিচার, সহনশীলতা ও সাংবিধানিক অধিকারের ওপর জোর দেওয়া হয়।
    ক্ষমতার প্রশ্নে তারেক রহমান বলেন, “আমি ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের ভোটাধিকার ও মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে দিতে এসেছি।” তিনি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন।
    তরুণ সমাজকে উদ্দেশ করে তার আহ্বান—ভয় নয়, সাহস নিয়ে সত্যের পক্ষে দাঁড়ানো। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, তারেক রহমানের এই বক্তব্য সংঘাতমুক্ত রাজনীতি ও জাতীয় ঐক্যের একটি স্পষ্ট বার্তা বহন করে, যা আসন্ন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

  • রক্তের উত্তরাধিকার থেকে জনমানুষের নেতা: তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন ও এক নতুন সূর্যোদয়।।

    রক্তের উত্তরাধিকার থেকে জনমানুষের নেতা: তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন ও এক নতুন সূর্যোদয়।।

    এম. তৌহিদুল ইসলাম

    সাংবাদিক ও লেখক

    ​বাংলাদেশের রাজনৈতিক আকাশে একটি নাম আজ ধ্রুবতারার মতো উজ্জ্বল—তারেক রহমান। আগামী ২৫ ডিসেম্বর দীর্ঘ প্রবাস জীবনের অবসান ঘটিয়ে তিনি ফিরছেন প্রিয় মাতৃভূমিতে। এই ফেরা কেবল একজন নেতার ঘরে ফেরা নয়; এটি যেন শহীদ জিয়ার আদর্শ, বেগম জিয়ার আপসহীন লড়াই এবং কোটি মানুষের রুদ্ধশ্বাসে অপেক্ষার এক মহেন্দ্রক্ষণ।
    ​শহীদ জিয়ার সেই অদম্য প্রেরণা
    ​তারেক রহমানের ধমনিতে বইছে আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রক্ত। শহীদ জিয়া বিশ্বাস করতেন—”ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়।” তিনি খাল কাটা বিপ্লব আর গ্রাম সরকার গঠনের মাধ্যমে গণতন্ত্রকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছিলেন। আজ তারেক রহমানের কণ্ঠে যখন ‘রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতে ৩১ দফা’ শুনি, তখন মনে পড়ে জিয়ার সেই ১৯ দফার কথা। পিতার মতোই তিনি বিশ্বাস করেন, জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো সংস্কার টেকসই হতে পারে না। তারেক রহমান আজ সেই হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা, যিনি শহীদ জিয়ার অসমাপ্ত স্বপ্নকে তারুণ্যের শক্তিতে বাস্তবে রূপ দিতে বদ্ধপরিকর।
    ​মা ও ছেলের সংগ্রামের মহাকাব্য
    ​তারেক রহমানের রাজনীতির সবচেয়ে বড় পাঠশালা হলো তার মা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জীবন। দেশনেত্রী শিখিয়েছেন—”আপস করার চেয়ে মৃত্যুই শ্রেয়।” দীর্ঘ দেড় দশক ধরে এই পরিবারকে যে চরম নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে, তা ইতিহাসে বিরল। একদিকে মায়ের অসুস্থতা আর কারাবরণ, অন্যদিকে ছেলের নির্বাসিত জীবন—এই বিচ্ছেদ কেবল একটি পরিবারের নয়, ছিল সমগ্র গণতন্ত্রকামী জনগণের। আজ তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন যেন সেই সংগ্রামের এক চূড়ান্ত বিজয়। মায়ের ধৈর্য আর ছেলের দূরদর্শিতা আজ মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে।
    ​দলীয় গণ্ডি পেরিয়ে জনমানুষের আকাঙ্ক্ষা
    ​তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে আনন্দ-উচ্ছ্বাস কেবল বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা ছড়িয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের মনেও। টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া আজ যেন এক নতুন উৎসবের অপেক্ষায়। সাধারণ মানুষ তার মাঝে খুঁজে পায়:
    ​নিরাপত্তার নিশ্চয়তা: বছরের পর বছর ভয়ের যে সংস্কৃতি তৈরি হয়েছিল, তা থেকে মুক্তির আশ্বাস।
    ​ভোটের অধিকার: সাধারণ মানুষ চায় তাদের প্রতিনিধি তারা নিজেই নির্বাচন করবে, আর তারেক রহমান সেই ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের প্রধান কাণ্ডারি।
    ​আগামীর ভরসা: দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি আর বেকারত্বের যাঁতাকলে পিষ্ট সাধারণ মানুষ মনে করে, তারেক রহমানের নেতৃত্বে এক নতুন অর্থনৈতিক বিপ্লব ঘটবে।
    ​২৫ ডিসেম্বরের এই দিনটি ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। বিমানবন্দর থেকে নয়াপল্টন পর্যন্ত যে জনসমুদ্রের ঢেউ আছড়ে পড়বে, তা হবে মূলত তারুণ্যের উচ্ছ্বাস আর আগামীর বাংলাদেশের স্বপ্ন। তারেক রহমান আসছেন একটি বিভক্ত জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে, প্রতিহিংসার রাজনীতি দাফন করতে এবং বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে এক মর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে।
    ​স্বাগতম হে তারুণ্যের অহংকার, স্বাগতম তারেক রহমান। আপনার আগমনে বাংলাদেশ আবার হাসবে, সাধারণ মানুষ আবার তার অধিকার ফিরে পাবে।