- মো আজিজ, চন্দনাইশ প্রতিনিধি :চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার খাগরিয়া ইউনিয়নে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত যৌথ অভিযানে এক নারীসহ তিনজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোররাতে চন্দনাইশ সেনা ক্যাম্পের নেতৃত্বে সাতকানিয়া উপজেলার খাগরিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নুরু মার্কেট এলাকায় দুই ধাপে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
সেনা সূত্র জানায়, অভিযানের প্রথম ধাপে ভোর আনুমানিক ৩টা ৩০ মিনিটে নুরু মার্কেট এলাকা থেকে সাজেদা বেগম (৪০) নামের এক নারীকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ২৫০ পিস ইয়াবা ও ১৪ হাজার ৮০০ টাকা নগদ অর্থ জব্দ করা হয়।
পরবর্তীতে দ্বিতীয় ধাপে ভোর ৫টার দিকে একই এলাকায় অভিযান চালিয়ে নুর মোহাম্মদ (৪০), পিতা—হারি মিয়া এবং মোঃ ওসমান (৩৮), পিতা—মোঃ মকগুল (৬০)–কে আটক করা হয়। এ ধাপে আরও ৩ হাজার ৫০৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত মোট ৩ হাজার ৭৫৫ পিস ইয়াবার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ৭ লাখ ১৪ হাজার ৫০০ টাকা বলে সেনা সূত্র নিশ্চিত করেছে। আটককৃতদের কাছ থেকে জব্দ করা মাদকদ্রব্য ও নগদ অর্থসহ পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থার জন্য চন্দনাইশ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
সেনা সূত্র আরও জানায়, আটককৃত মোঃ ওসমান একজন রোহিঙ্গা নাগরিক। তিনি এফডিএমএন ক্যাম্প–২-এর ব্লক–বি এলাকায় বসবাস করতেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তিনি এফডিএমএন ক্যাম্প–৬-এর বাসিন্দা মোঃ জাফর (৪৫)-এর কাছ থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে সহযোগীদের মাধ্যমে স্থানীয় বাজারে সরবরাহ করতেন।
অভিযানে নেতৃত্বদানকারী সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইবতিসাম জাওয়াদ দিয়াব (বিএ–১০৯৪২) বলেন, “মাদক নির্মূলে সেনাবাহিনী ও যৌথ বাহিনীর অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।”
সেনা ক্যাম্প সূত্র জানায়, মাদকবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও জোরদারভাবে চলমান থাকবে।
সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে নারীসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী আটক, বিপুল ইয়াবা উদ্ধার
নেতা-কর্মীদের একাংশের আপত্তি, আওয়ামী সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক | চট্টগ্রাম
চট্টগ্রাম-১৪ সংসদীয় আসনে (চন্দনাইশ–সাতকানিয়ার আংশিক) বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন আহমদের নাম ঘোষণা করেছে দলটি। রোববার সন্ধ্যায় প্রার্থী ঘোষণার পর স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীদের একটি অংশ অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, জসিম উদ্দিনের সঙ্গে অতীতে আওয়ামী লীগ সরকারের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল।
প্রার্থী ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জসিম উদ্দিনের বিভিন্ন ছবি ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে তাঁকে আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রী ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা যায়। এসব ছবি ঘিরে দলটির স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের মে মাসে অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জসিম উদ্দিন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হন। ওই নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেয়নি। পরবর্তী সময়ে গত বছরের ৪ ডিসেম্বর রাজধানীর বাড্ডায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় সংঘটিত একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় তিনি গ্রেপ্তার হয়ে কারাবরণ করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
চট্টগ্রাম জেলায় ১৫টি উপজেলা ও ৩৪টি থানা এলাকা নিয়ে মোট ১৬টি সংসদীয় আসন রয়েছে। এর মধ্যে নগর এলাকায় রয়েছে ৪টি আসন। বাকি ১২টি আসনের মধ্যে ৭টি উত্তর এবং ৫টি দক্ষিণ চট্টগ্রামে অবস্থিত।
মনোনয়ন ঘিরে অসন্তোষ
মনোনয়ন ফরম জমাদানের নির্ধারিত সময়ের শেষ পর্যায়ে এসে চট্টগ্রাম-১৪ আসনের প্রার্থী চূড়ান্ত করায় একাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশী অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
এ আসনে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক মহসিন জিল্লুর করিম এবং চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল আনোয়ার চৌধুরী।
এ ছাড়া ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকালীন কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক ও সাবেক বিচারপতি আবদুস সালাম মামুন, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি মিজানুল হক চৌধুরী, চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি নাজিম উদ্দিন চৌধুরী এবং দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি শফিকুল ইসলাম চৌধুরীও মনোনয়ন ফরম নেন।
পাশাপাশি বিএনপি কর্মী মোহাম্মদ ইখতিয়ার হোসেন, মোহাম্মদ আল হেলাল, এম এ হাশেম, এজাজ আহমদ চৌধুরী, জাকির হোসেন ও সিরাজুল ইসলাম মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।
মনোনয়ন ঘোষণার পর চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল আনোয়ার চৌধুরী বলেন,
“জসিম উদ্দিনের সঙ্গে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কার প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাদের প্রকাশ্য উপস্থিতি দেখা গেছে।”
তিনি আরও বলেন,
“দীর্ঘদিন নির্যাতন ও মামলা মোকাবিলা করে যারা এলাকায় দলকে সংগঠিত করেছেন, তাঁদের উপেক্ষা করে একজন বিতর্কিত ব্যক্তিকে প্রার্থী করা হয়েছে।”
একই ধরনের বক্তব্য দেন দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি শফিকুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি বলেন,
“বিএনপি যখন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বর্জন করেছিল, তখন জসিম উদ্দিন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হন।”
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে জসিম উদ্দিন আহমদের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।
তবে জসিমের মনোনয়ন ঘোষণার পর চন্দনাইশ এলাকায় বিএনপির একটি অংশ আনন্দমিছিল করে। ওই মিছিলে নেতৃত্ব দেন চন্দনাইশ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সালাউদ্দিন চৌধুরী। তিনি বলেন,
“জসিম উদ্দিন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। তিনি প্রবাসে বিএনপির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।”
মন্ত্রী ও প্রভাবশালীদের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে তিনি বলেন,
“তিনি একজন ব্যবসায়ী। পেশাগত কারণে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর পরিচয় থাকতে পারে।”
মামলার তথ্য
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ঘিরে রাজধানীর বাড্ডায় দায়ের করা একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৯০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। ওই মামলায় জসিম উদ্দিন আহমেদকে ২১ নম্বর আসামি করা হয়েছে। মামলার এজাহারে বলা হয়, গত বছরের ২০ জুলাই আন্দোলন চলাকালে বাদী গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন।
এ ছাড়া জসিম উদ্দিন ও তাঁর স্ত্রী তানজিনা সুলতানার বিরুদ্ধে ঋণসংক্রান্ত একাধিক মামলার তথ্য রয়েছে। পদ্মা ব্যাংকের ঋণখেলাপি মামলায় তাঁদের বিরুদ্ধে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। পরবর্তী সময়ে হাইকোর্টে জামিন আবেদনের সময় দাখিল করা কাগজপত্র নিয়ে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আপত্তি তুললে আদালত জামিন স্থগিত করেন।
ক্ষমতার জন্য নয়, অধিকার ফেরাতে এসেছি: তারেক রহমান
জাহেদুল ইসলাম শ্রাবণ
ঢাকা:
দীর্ঘ সময় পর দেশে ফিরে প্রথম বক্তব্যেই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান শান্তি, ঐক্য ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশ কোনো ব্যক্তি বা দলের একক সম্পত্তি নয়—এই দেশ সবার।”
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়ে বলেন, “যেকোনো মূল্যে শান্তি বজায় রাখতে হবে; উসকানি ও বিশৃঙ্খলা দেশের জন্য ক্ষতিকর।” তার বক্তব্যে প্রতিশোধের রাজনীতি পরিহার করে ন্যায়বিচার, সহনশীলতা ও সাংবিধানিক অধিকারের ওপর জোর দেওয়া হয়।
ক্ষমতার প্রশ্নে তারেক রহমান বলেন, “আমি ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের ভোটাধিকার ও মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে দিতে এসেছি।” তিনি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন।
তরুণ সমাজকে উদ্দেশ করে তার আহ্বান—ভয় নয়, সাহস নিয়ে সত্যের পক্ষে দাঁড়ানো। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, তারেক রহমানের এই বক্তব্য সংঘাতমুক্ত রাজনীতি ও জাতীয় ঐক্যের একটি স্পষ্ট বার্তা বহন করে, যা আসন্ন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
রক্তের উত্তরাধিকার থেকে জনমানুষের নেতা: তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন ও এক নতুন সূর্যোদয়।।
এম. তৌহিদুল ইসলাম
সাংবাদিক ও লেখক
বাংলাদেশের রাজনৈতিক আকাশে একটি নাম আজ ধ্রুবতারার মতো উজ্জ্বল—তারেক রহমান। আগামী ২৫ ডিসেম্বর দীর্ঘ প্রবাস জীবনের অবসান ঘটিয়ে তিনি ফিরছেন প্রিয় মাতৃভূমিতে। এই ফেরা কেবল একজন নেতার ঘরে ফেরা নয়; এটি যেন শহীদ জিয়ার আদর্শ, বেগম জিয়ার আপসহীন লড়াই এবং কোটি মানুষের রুদ্ধশ্বাসে অপেক্ষার এক মহেন্দ্রক্ষণ।
শহীদ জিয়ার সেই অদম্য প্রেরণা
তারেক রহমানের ধমনিতে বইছে আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রক্ত। শহীদ জিয়া বিশ্বাস করতেন—”ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়।” তিনি খাল কাটা বিপ্লব আর গ্রাম সরকার গঠনের মাধ্যমে গণতন্ত্রকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছিলেন। আজ তারেক রহমানের কণ্ঠে যখন ‘রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতে ৩১ দফা’ শুনি, তখন মনে পড়ে জিয়ার সেই ১৯ দফার কথা। পিতার মতোই তিনি বিশ্বাস করেন, জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো সংস্কার টেকসই হতে পারে না। তারেক রহমান আজ সেই হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা, যিনি শহীদ জিয়ার অসমাপ্ত স্বপ্নকে তারুণ্যের শক্তিতে বাস্তবে রূপ দিতে বদ্ধপরিকর।
মা ও ছেলের সংগ্রামের মহাকাব্য
তারেক রহমানের রাজনীতির সবচেয়ে বড় পাঠশালা হলো তার মা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জীবন। দেশনেত্রী শিখিয়েছেন—”আপস করার চেয়ে মৃত্যুই শ্রেয়।” দীর্ঘ দেড় দশক ধরে এই পরিবারকে যে চরম নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে, তা ইতিহাসে বিরল। একদিকে মায়ের অসুস্থতা আর কারাবরণ, অন্যদিকে ছেলের নির্বাসিত জীবন—এই বিচ্ছেদ কেবল একটি পরিবারের নয়, ছিল সমগ্র গণতন্ত্রকামী জনগণের। আজ তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন যেন সেই সংগ্রামের এক চূড়ান্ত বিজয়। মায়ের ধৈর্য আর ছেলের দূরদর্শিতা আজ মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে।
দলীয় গণ্ডি পেরিয়ে জনমানুষের আকাঙ্ক্ষা
তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে আনন্দ-উচ্ছ্বাস কেবল বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা ছড়িয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের মনেও। টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া আজ যেন এক নতুন উৎসবের অপেক্ষায়। সাধারণ মানুষ তার মাঝে খুঁজে পায়:
নিরাপত্তার নিশ্চয়তা: বছরের পর বছর ভয়ের যে সংস্কৃতি তৈরি হয়েছিল, তা থেকে মুক্তির আশ্বাস।
ভোটের অধিকার: সাধারণ মানুষ চায় তাদের প্রতিনিধি তারা নিজেই নির্বাচন করবে, আর তারেক রহমান সেই ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের প্রধান কাণ্ডারি।
আগামীর ভরসা: দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি আর বেকারত্বের যাঁতাকলে পিষ্ট সাধারণ মানুষ মনে করে, তারেক রহমানের নেতৃত্বে এক নতুন অর্থনৈতিক বিপ্লব ঘটবে।
২৫ ডিসেম্বরের এই দিনটি ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। বিমানবন্দর থেকে নয়াপল্টন পর্যন্ত যে জনসমুদ্রের ঢেউ আছড়ে পড়বে, তা হবে মূলত তারুণ্যের উচ্ছ্বাস আর আগামীর বাংলাদেশের স্বপ্ন। তারেক রহমান আসছেন একটি বিভক্ত জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে, প্রতিহিংসার রাজনীতি দাফন করতে এবং বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে এক মর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে।
স্বাগতম হে তারুণ্যের অহংকার, স্বাগতম তারেক রহমান। আপনার আগমনে বাংলাদেশ আবার হাসবে, সাধারণ মানুষ আবার তার অধিকার ফিরে পাবে।
চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসকের পটিয়া–চন্দনাইশ দিনব্যাপী পরিদর্শন
-
নিজস্ব প্রতিবেদক
চট্টগ্রাম জেলার জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা আজ সোমবার (০৮ ডিসেম্বর ২০২৫) পটিয়া ও চন্দনাইশ উপজেলা পরিদর্শন করেন। দিনব্যাপী এ সফরের শুরুতে তিনি চন্দনাইশ উপজেলা এবং পরবর্তীতে পটিয়া উপজেলার বিভিন্ন দপ্তর ও কর্মকাণ্ড পরিদর্শন করেন।
সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসক চন্দনাইশ থানা পরিদর্শন করেন এবং উপজেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, চন্দনাইশ এর সম্মেলন কক্ষে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।
মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক বলেন—
“আমরা এমন একটি প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যেখানে সিস্টেম নিজস্ব নিয়ম ও গতিতে চলবে—কেউ একে ব্যক্তিস্বার্থে পরিচালনা করবে না। আমরা বিশ্বাস করি, প্রত্যেক কর্মকর্তা ইতিবাচক পরিবর্তনের অংশীদার হবেন। মানুষের কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিত করা, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা এবং একটি মানবিক সমাজ বিনির্মাণই আমাদের লক্ষ্য। মানুষের মাঝে মানবতা ও বিবেকবোধ না থাকলে তাকে যতই ‘আশরাফুল মাখলুকাত’ বলা হোক, প্রকৃত অর্থে তার কোনো মূল্য নেই।”সভায় তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, শিক্ষা–স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন, সেবাগ্রহীতাদের আন্তরিকতার সঙ্গে সেবা প্রদান এবং সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়ন বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
মতবিনিময় সভা শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বিভিন্ন দপ্তরের আওতাধীন উপকারভোগীদের মাঝে সরকারি সহায়তা বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক। এসময় প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার ও ট্রাইসাইকেল, ৬ জনকে সুবর্ণ নাগরিক কার্ড, ১০ জন কৃষকের মাঝে সার–বীজ, ৪০ জন এতিম শিশুর মাঝে পোষাক ও শিক্ষা উপকরণ এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
পরে তিনি চন্দনাইশ উপজেলা পরিষদের সম্প্রসারিত নতুন প্রশাসনিক ভবন উদ্বোধন করেন এবং চট্টগ্রাম–১৪ আসনের কয়েকটি ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনের মাধ্যমে চন্দনাইশ পরিদর্শন কর্মসূচি শেষ করেন।
চন্দনাইশ পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক পটিয়া উপজেলা অভিমুখে রওনা হন। তিনি পটিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়, পটিয়া থানা এবং আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কয়েকটি ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেন। পটিয়া থানা পরিদর্শনকালে তিনি থানার অস্ত্রাগার দেখেন এবং গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্টারসমূহ পর্যালোচনা করেন। পরে পটিয়া উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন।
সভায় তিনি সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে সর্বোত্তম ব্যবহার, সেবা প্রদানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় রাখা এবং আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সকলকে পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন।
উভয় উপজেলাতেই জেলা প্রশাসক বিভিন্ন সামাজিক সহায়তা ও উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে ভিক্ষুক পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় একজন ভিক্ষুককে রিকশা প্রদান, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মাঝে সুবর্ণ নাগরিক কার্ড ও ট্রাইসাইকেল বিতরণ, কৃষকদের মাঝে রবি প্রণোদনার সার ও বীজ বিতরণ, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের অর্থায়নে আত্মকর্মসংস্থানের জন্য চেক বিতরণ, সরকারি শিশু পরিবারের কিশোরদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ এবং হাবিলাসদ্বীপ সরকারি শিশু পরিবারের খেলার মাঠ উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন উল্লেখযোগ্য।
দিনব্যাপী সফরে উপস্থিত ছিলেন জনাব মো. রাজিব হোসেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (চন্দনাইশ); জনাব ফারহানুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (পটিয়া); জনাব রয়া ত্রিপুরা, সহকারী কমিশনার (ভূমি), পটিয়া; অফিসার ইনচার্জ, পটিয়া থানা; উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাসহ পটিয়া ও চন্দনাইশ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।
গণতন্ত্র ফেরাতে চট্টগ্রামে পেশাজীবীদের জোরালো বার্তা
- নিজস্ব প্রতিবেদক
চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের জুলাই বিপ্লব স্মৃতি মিলনায়তনে বাংলাদেশ পেশাজীবী অধিকার পরিষদের উদ্যোগে পেশাজীবী সম্মেলন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৫ ডিসেম্বর, শুক্রবার বিকাল ৩টায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, অধিকার, জাতীয় স্বার্থ ও সততা–পরিশ্রম–সফলতা–কে প্রতিপাদ্য হিসেবে তুলে ধরা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মহানগর পেশাজীবী অধিকার পরিষদের সভাপতি মৃধা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মহানগর সাধারণ সম্পাদক আরিফ মাহমুদ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পেশাজীবী অধিকার পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও দুর্নীতি দমন কমিশনের পাবলিক প্রসিকিউটর এড. খালেদ হোসেন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সদস্য সচিব জাহিদুল করিম কচি, যুব অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি মঞ্জুর মোরশেদ মামুন, গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য জসিম উদ্দিন আকাশ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ, সহ-সভাপতি শামসুল আলম, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান সুমন, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক লোকমান হোসেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সদস্য সচিব মহিউদ্দীন কাদের, উত্তর জেলার আহ্বায়ক মোহাম্মদ মহসীন চৌধুরীসহ গণ–যুব–শ্রমিক–ছাত্র ও পেশাজীবী পরিষদের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।
সভায় বক্তারা বলেন
চট্টগ্রামের শিল্পায়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গঠনে পেশাজীবীদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। তারা বলেন, মানুষের অধিকার সুরক্ষা, প্রযুক্তির উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অনিয়ম–দুর্নীতি–সন্ত্রাস রোধে পেশাজীবীদের দায়িত্ব আরও বেড়ে গেছে। বক্তারা উল্লেখ করেন—আইনের শাসন প্রতিষ্ঠাই টেকসই উন্নয়নের মূল শর্ত।
নির্বাচন প্রসঙ্গে বক্তাদের আহ্বান
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থীদের পক্ষে সক্রিয়ভাবে মাঠে নামার আহ্বান জানান বক্তারা। তারা বলেন
“ভিপি নুরুল হক নুরের নেতৃত্বকে শক্তিশালী করতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ঐক্য থাকলে চট্টগ্রামের মাটিতে গণঅধিকার পরিষদ বিজয় অর্জন করবে।”এ ছাড়া ট্রাক মার্কা ভোটারদের কাছে পৌঁছে দিতে নেতাকর্মীদের নিবিড় প্রচারণা জোরদার করার তাগিদ দেওয়া হয়।,,
উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়া হচ্ছে খালেদা জিয়াকে
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তার উপদেষ্টা ও সফরসঙ্গী ড. এনামুল হক চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে সাংবাদিকদের দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
ড. এনামুল হক জানান, চিকিৎসার নানা জটিলতা বিবেচনায় জরুরি ভিত্তিতে খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ যাত্রায় তার সঙ্গে থাকছেন মোট ১৪ জন সফরসঙ্গী।
সফরসঙ্গীদের মধ্যে রয়েছেন—
খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সায়েদা শামীলা রহমান, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, ডা. ফখরুদ্দীন মোহাম্মদ সিদ্দিকী, ডা. শাহাবুদ্দীন তালুকদার, ডা. নুরুদ্দীন আহমদ, ডা. জাফর ইকবাল, ডা. মোহাম্মদ আল মামুন।
এ ছাড়া আরও থাকছেন—
হাসান শাহরিয়ার ইকবাল, সৈয়দ শামীন মাহফুজ, আব্দুল হাই মল্লিক, মাসুদার রহমান, ফাতেমা বেগম ও রুপা শিকদার।
দলের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, লন্ডনে পৌঁছানোর পর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে খালেদা জিয়ার পূর্ণ মেডিকেল অ্যাসেসমেন্ট করা হবে।
বঙ্গোপসাগরে নৌবাহিনীর বার্ষিক সমুদ্র মহড়া সমাপ্ত
বঙ্গোপসাগরে নৌবাহিনীর পাঁচ দিনব্যাপী বার্ষিক সমুদ্র মহড়া শেষ হয়েছে। দেশের সমুদ্রসীমায় সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সমুদ্র নিরাপত্তা জোরদার এবং যুদ্ধক্ষেত্রে সমন্বিত সক্ষমতা বৃদ্ধিই ছিল এই মহড়ার মূল উদ্দেশ্য। রোববার (৩০ নভেম্বর) সকালে নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ও বিশেষায়িত ইউনিট অংশগ্রহণে মহড়া শুরু হয়। মহড়া পর্যবেক্ষণে বানৌজা খালিদ বিন ওয়ালিদে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান এবং পরিবেশ উপদেষ্টা রিজওয়ানা আহসান। নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান তাদের সঙ্গে সমুদ্র মহড়ার বিভিন্ন পর্যায় প্রত্যক্ষ করেন। নৌবাহিনী জানিয়েছে, মহড়ায় ফ্রিগেট, করভেট, ওপিভি, মাইন সুইপার, পেট্রোল ক্রাফট এবং মিসাইল বোটসহ বিভিন্ন যুদ্ধজাহাজ অংশ নিয়েছে। এছাড়া নৌবাহিনীর মেরিটাইম পেট্রোল এয়ারক্রাফ্ট, হেলিকপ্টার এবং বিশেষায়িত ফোর্স সোয়াডস্-ও মহড়ায় অংশগ্রহণ করেছে।
তারেক রহমান চট্টগ্রাম থেকে নির্বাচনে দাঁড়ালে—চট্টগ্রাম হবে ধানের শীষের অদম্য দুর্গ: এস কে খোদা তোতন
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় চট্টগ্রামে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেন বিএনপির সমর্থক গোষ্ঠীর আহবায়ক এস কে খোদা তোতন।
দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিল বিএনপি নেতা মাহমুদ আলম পান্না, মুস্তাফা কামাল তালুকদার, এবি জিয়াউদ্দিন, এস.এম. আবিব, এস.এম. দুলাল, কামাল, সোহাগ হোসেন, মাহবুব, নুরুল ইসলাম বাবুল, লোকমান হাকিম,
মহিলা নেত্রী শিরিন জাহান, সিদ্দিক হাওলাদার, সোহান, আক্কাস, মোস্তফাসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এস কে খোদা তোতন তার বক্তব্যে বলেন—
“আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে যদি দেশনেতা তারেক রহমান চট্টগ্রাম থেকে প্রার্থী হন, তবে চট্টগ্রাম হবে ধানের শীষের অদম্য দুর্গ। চট্টগ্রামের মানুষ সবসময় গণতন্ত্র ও পরিবর্তনের পক্ষে থাকে।”
তিনি আরও বলেন—
“দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর দ্রুত আরোগ্যের জন্য আমরা সবাই দোয়া করছি।”
মাহফিলে খালেদা জিয়ার দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।