Blog

  • প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ

    প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ

    ঢাকা: ক্ষমতার অপব্যবহার করে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ৩০ কাঠা সরকারি জমি বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১২ জনের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।সোমবার (১০ নভেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে মামলার বাদী দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়াকে জেরার দিন ধার্য ছিল।

    জেরা শেষে এ মামলায় কারাগারে থাকা একমাত্র আসামি রাজউকের সাবেক সদস্য (স্টেট ও ভূমি) মোহাম্মদ খুরশীদ আলমের ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য আগামী ১৭ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।
    অপরদিকে শেখ হাসিনা ও জয়সহ ১৭ জন এবং হাসিনা ও পুতুলসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক এস এম রাশেদুল হাসানকে আসামি খুরশীদ আলমের পক্ষে জেরা অব্যাহত রয়েছে। অসমাপ্ত জেরার জন্য ১৭ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।
    এর আগে গত ৩১ জুলাই দুটি আদালতে পৃথক ছয় মামলায় শেখ হাসিনা ও শেখ রেহেনা পরিবারের সাত সদস্যসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।প্লট বরাদ্দের দুর্নীতির অভিযোগে গত জানুয়ারিতে পৃথক ৬ মামলা করে দুদক। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ (পুতুল), বোন শেখ রেহানা, রেহানার মেয়ে ও ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক, ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ও অপর মেয়ে আজমিনা সিদ্দিকসহ আরও অনেককে আসামি করা হয়। সবগুলো মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে।

  • অবৈধ মোবাইল হ্যান্ডসেট ঠেকাতে এনইআইআর চালু ১৬ ডিসেম্বর

    অবৈধ মোবাইল হ্যান্ডসেট ঠেকাতে এনইআইআর চালু ১৬ ডিসেম্বর

    মোবাইল নেটওয়ার্কে অবৈধ হ্যান্ডসেট প্রবেশ রোধ, মোবাইল ফোন ক্লোনিং ও চুরি ঠেকাতে আগামী ১৬ ডিসেম্বর ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) চালু হবে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।

    ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) সংক্রান্ত সামগ্রিক বিষয় নিয়ে বুধবার (২৯ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি ভবনে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
    এনইআইআর উদ্দেশ্য নিয়ে বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেন, মোবাইল হ্যান্ডসেট সাশ্রয়ী এবং নিরাপদ করা।

  • প্রবৃদ্ধিতে ফিরেছে গ্রামীণফোন

    প্রবৃদ্ধিতে ফিরেছে গ্রামীণফোন

    সার্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও ২০২৫ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে মোট ৪ হাজার ১০ কোটি টাকা আয় করেছে গ্রামীণফোন লিমিটেড, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি। এই প্রান্তিক শেষে গ্রামীণফোনের মোট গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ কোটি ৫৬ লাখে। বর্তমানে মোট গ্রাহকের ৫৯ দশমিক ৮ শতাংশ অর্থাৎ ৫ কোটি ১২ লাখ গ্রাহক ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন।

    গ্রামীণফোন লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান বলেন, বছরের শুরুতে আমাদের একটি দৃঢ় অঙ্গীকার ছিল- আমরা দায়িত্বশীলভাবে প্রবৃদ্ধি অর্জন করব এবং খরচের দক্ষতা বজায় রাখব। গর্বের সঙ্গে বলতে পারি, আমরা সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছি। আমাদের কার্যকর দক্ষতা বৃদ্ধির উদ্যোগ এবং ব্যয় নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টা শক্তিশালী ইবিআইটিডিএ প্রবৃদ্ধিতে সহায়ক হয়েছে। আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রেখেও আমরা যে প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পারি এটি তারই প্রতিফলন। গত কয়েক বছর ধরে আমরা বাংলাদেশের পরিবেশবান্ধব জ্বালানি খাতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে কাজ করে যাচ্ছি। করপোরেট পাওয়ার পারচেজ অ্যাগ্রিমেন্ট (সিপিপিএ) কাঠামো অনুমোদিত হওয়ার মাধ্যমে সেই দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তব রূপ নিচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, বর্তমানে আমরা আশাবাদ এবং অন্তর্নিহিত চ্যালেঞ্জের একটি মিশ্র চিত্র দেখতে পাচ্ছি। জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশের অর্থনীতি সাময়িকভাবে গতি পেতে পারে, কারণ বাজারের সামগ্রিক কার্যক্রমে ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তাই নতুন গ্রাহক অর্জনের প্রত্যাশা রয়েছে আমাদের এবং দেশের সার্বিক কানেক্টিভিটিতে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আরও সুদৃঢ় করতে চাই। প্রতি প্রান্তিকে আমরা প্রযুক্তি, পণ্যের অফার, ডিজিটাল অপারেশন এবং গ্রাহক সম্পৃক্ততায় নতুনত্ব আনছি, যাতে দ্রুত পরিবর্তনশীল বাজারে প্রাসঙ্গিক ও অগ্রণী থাকতে পারি। আমরা নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে ভবিষ্যতের পথে এগোচ্ছি এবং সেই ভবিষ্যৎ হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-নির্ভর। ধাপে ধাপে ফাইভজি বাস্তবায়নের পাশাপাশি আমরা নেটওয়ার্ক অপারেশন, গ্রাহক অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা উন্নয়নে এআই-চালিত উদ্যোগে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ ও প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
    গ্রামীণফোনের চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার (সিএফও) অটো মাগনে রিসব্যাক বলেন, সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এখনো স্থবির এবং বাজারজুড়ে প্রবৃদ্ধি আমাদের প্রত্যাশার তুলনায় ধীর। তবুও এ প্রান্তিকে আমাদের আর্থিক ফলাফল আশাব্যঞ্জক। স্থিতিশীল মুনাফার হার এবং মূল ব্যবসায়িক ক্ষেত্রগুলোতে কঠোর শৃঙ্খলার মাধ্যমে আমরা পুনরায় প্রবৃদ্ধিতে ফিরেছি। আয়ের ক্ষেত্রে বলতে পারি, টানা চার প্রান্তিকের পতনের পর এবার গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আমাদের আয় ৫৬ দশমিক ১ কোটি বা ১ দশমিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই প্রান্তিকে আমাদের ব্যয় মাত্র ১ শতাংশ বেড়েছে, যেখানে মুদ্রাস্ফীতি এখনো ৮ শতাংশের বেশি। এ প্রান্তিকে ইবিআইটিডিএ ১ দশমিক ৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আয়ের প্রবৃদ্ধির চেয়ে বেশি। এটি আমাদের কার্যকর পরিচালন দক্ষতা ও ব্যয় নিয়ন্ত্রণের প্রতিফলন। যদিও উচ্চতর অবচয় ও এমোর্টাইজেশন খরচ এবং নতুন সাইট স্থাপন ও ছাদের লিজ বাবদ খরচ বৃদ্ধির কারণে মোট কর পরবর্তী মুনাফা (এনপিএটি) কিছুটা প্রভাবিত হয়েছে; তবুও আমাদের এনপিএটি মার্জিন শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ।

    ‘আমরা বিশ্বাস করি, এটা সেই সময় যখন একটি বাস্তবসম্মত ও ভবিষ্যত-উপযোগী অপারেটিং প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা উচিত। যে প্ল্যাটফর্মের ভিত্তি হবে ক্লাউড-নেটিভ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)। এগুলো দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ এবং স্বল্পমেয়াদে প্রভাব সীমিত হলেও আমরা আশা করি প্রবৃদ্ধি পুনরায় গতি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কাঠামোগত সুবিধাগুলোও আরও লক্ষ্যণীয় হয়ে উঠবে।’

  • নতুন ফিচার ফোন ‘জিডিএল জি–৯’

    নতুন ফিচার ফোন ‘জিডিএল জি–৯’

    দেশের বাজারে নতুন ফিচার ফোন ‘জিডিএল জি–৯’ উন্মোচন করেছে গ্রামীণ ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেড (জিডিএল)। আকর্ষণীয় ডিজাইন, শক্তিশালী ব্যাটারি ও সাশ্রয়ী মূল্যের সমন্বয়ে তৈরি এই ফোনটি ইতোমধ্যেই বিক্রি শুরু হয়েছে।

    নতুন ‘জিডিএল জি–৯’ ফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে এমটিকে চিপসেট, যা দ্রুত পারফরম্যান্স ও স্থিতিশীল সংযোগের নিশ্চয়তা দেবে। এতে রয়েছে ২.৪ ইঞ্চি কিউভিজিএ ডিসপ্লে, ডুয়েল সিম সুবিধা এবং ১ হাজার ৭০০ মিলি–অ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি। ফলে ব্যবহারকারীরা দীর্ঘ সময় নির্বিঘ্নে ফোনটি ব্যবহার করতে পারবেন।

    মাত্র ১ হাজার ১৯০ টাকা মূল্যে পাওয়া যাচ্ছে ফোনটি। ক্রেতাদের জন্য এটি এসেছে পাঁচটি আকর্ষণীয় রঙে-গাঢ় নীল, কালো, ময়ূর নীল, সবুজ ও হালকা নীল। শক্ত কাঠামো, পরিষ্কার ভয়েস কোয়ালিটি, ওয়্যারলেস এফএম, বড় স্পিকার ও আরামদায়ক কিপ্যাডের কারণে ফোনটি আরও ব্যবহারবান্ধব হয়েছে।
  • অবৈধ হ্যান্ডসেট ধরার প্রযুক্তি এনইআইআর, যে প্রক্রিয়ায় বাস্তবায়ন

    অবৈধ হ্যান্ডসেট ধরার প্রযুক্তি এনইআইআর, যে প্রক্রিয়ায় বাস্তবায়ন

    অবৈধ মোবাইল হ্যান্ডসেট বন্ধ, মোবাইল ফিনান্সিয়াল সেবায় আর্থিক প্রতারণা, মোবাইল হ্যান্ডসেট চুরি রোধসহ সরকারের রাজস্ব ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণের লক্ষ্যে আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে দেশে চালু হবে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর)।

    নতুন এই ব্যবস্থায় শুধু অনুমোদিত, মানসম্মত ও বৈধভাবে আমদানি করা মোবাইল ব্যবহারের মাধ্যমে গ্রাহকরা মানসম্পন্ন সেবা পাবে এবং ভবিষ্যতে অবৈধ বা ক্লোন আইএমইআই ফোন নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে পারবে না। এনইআইআর যে প্রক্রিয়ায় বাস্তবায়িত হবে তা জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

    নতুন হ্যান্ডসেট কেনার আগে করণীয়
    ১৬ ডিসেম্বর থেকে যে কোনো মাধ্যম থেকে (বিক্রয় কেন্দ্র, অনলাইন বিক্রয় কেন্দ্র, ই-কমার্স সাইট ইত্যাদি) মোবাইল হ্যান্ডসেট কেনার আগে অবশ্যই হ্যান্ডসেটটির বৈধতা বর্ণিত পদ্ধতি অনুসরণ করে যাচাই করবেন এবং ক্রয়কৃত হ্যান্ডসেটের ক্রয় রশিদ সংরক্ষণ করবেন। মোবাইল হ্যান্ডসেটটি বৈধ হলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এনইআইআর সিস্টেমে নিবন্ধিত হয়ে যাবে।

    ধাপ-১: মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে KYD<space>১৫ ডিজিটের আইএমইআই নম্বরটি লিখুন। উদাহরণ স্বরূপ: KYD 123456789012345।

    ধাপ-২: IMEI নম্বরটি লিখার পর ১৬০০২ নম্বরে পাঠান।

  • দেশের বাজারের ৬০ শতাংশ মোবাইল অবৈধ

    দেশের বাজারের ৬০ শতাংশ মোবাইল অবৈধ

    দেশের মোবাইল বাজারের প্রায় ৬০ শতাংশ অবৈধ মার্কেটের দখলে থাকায় বৈধভাবে ব্যবসা করা কোম্পানিগুলোর হাজার হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে এবং সরকার বছরে প্রায় ২ হাাজর কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে।

    মোবাইল ফোন ইনডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ বুধবার (৫ নভেম্বর) রাজধানীর রাওয়া কনভেনশন হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানায়।

    সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি জাকারিয়া শহিদ ও সহ-সভাপতি রেজওয়ানুল হকসহ নেতৃবন্দ বক্তব্য দেন।
    সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আমদানির পাশাপাশি বাংলাদেশে ২০১৭ সালে মোবাইল ফোন উৎপাদন শিল্পের যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে দেশি-বিদেশি মিলে প্রায় ১৭টি মোবাইল ফোন কারখানা দেশে উৎপাদন করছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো প্রায় ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ করেছে, যেখানে প্রায় ১ লাখের বেশি মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।

    দেশে উৎপাদিত মোবাইল ফোন এখন কেবল স্থানীয় বাজারেই নয়, ভবিষ্যতে বিদেশেও রপ্তানির সম্ভাবনা তৈরি করছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্য নতুন বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। মোবাইল ফোন উৎপাদন ঘিরে দেশে আধুনিক প্যাকেজিং, প্রিন্টিং, ব্যাটারি, চার্জার, হেডফোন, ডাটা কেবলসহ আরো অনেক ধরনের কম্পোনেন্ট শিল্প গড়ে উঠেছে, যেখানে কমপক্ষে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে এবং আরও প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার মানুষ এখানে কাজ করছে।

    এ ছাড়াও, এই শিল্পের সঙ্গে সারা দেশে প্রায় ২০ হাজার অনুমোদিত মোবাইল ফোন বিক্রেতা যুক্ত আছেন, যেখানে প্রায় ৮০ হাজার কর্মী সরাসরি কর্মরত। উৎপাদন ও বিতরণ পর্যায়ে মোট প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার মানুষ সরাসরি এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত। গড়ে প্রতি পরিবারের ৫ জন সদস্য হিসেবে ধরা হলে, কমপক্ষে ৮ লাখ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অনুমোদিত মোবাইল কারখানাগুলোর ওপর নির্ভরশীল।

  • খালে মিলল নারীর অর্ধগলিত লাশ

    খালে মিলল নারীর অর্ধগলিত লাশ

    হাটহাজারীর মদুনাঘাট এলাকায় একটি খালে অজ্ঞাত এক নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    সোমবার (১০ নভেম্বর) সকাল দশটার দিকে মদুনাঘাট এলাকার বিদ্যুৎ সাব স্টেশনের পূর্ব পাশে খন্দকিয়া খালের স্লুইসগেটের নিচ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, সকালে এক মহিলার লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। পরে মদুনাঘাট তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশকে জানালে তারা এসে লাশটি উদ্ধার করে।
    মদুনাঘাট তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ কার্তিক চন্দ্র বিশ্বাস বাংলানিউজকে জানান, সুরতহাল শেষে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ধারণা করছি লাশটি সপ্তাহ খানেক আগের। এখনো পর্যন্ত লাশটির পরিচয় পাওয়া যায়নি।

  • বাকলিয়ায় ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামি গ্রেপ্তার

    বাকলিয়ায় ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামি গ্রেপ্তার

    চট্টগ্রাম: নগরের বাকলিয়া থানার অভিযানে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    গ্রেপ্তাররা হলেন, নগরের বাকলিয়া থানার মিয়াখান নগর ডাইল বাড়ির মহসিন খানের ছেলে মো. মানিক খান ও একই এলাকার বিসমিল্লাহ কলোনির মো. সিরাজের ছেলে মো. ইউনুছ।

    বাকলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোবারক হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার দিবাগত রাতে নগরের কোতোয়ালী থেকে মো. মানিক খানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে চান্দগাঁও এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. ইউনুছকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে পটিয়া থানার মামলায় দণ্ডবিধির ৩৯৪ ধারায়  ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ রয়েছে। আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

  • আমি নাম জানি না, কিন্তু চাঁদাবাজি হচ্ছে: নৌ উপদেষ্টা

    আমি নাম জানি না, কিন্তু চাঁদাবাজি হচ্ছে: নৌ উপদেষ্টা

    চট্টগ্রাম: পণ্য পরিবহনে চাঁদাবাজি নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ভবিষ্যতে চাঁদাবাজি হবে কি হবে না আমি তো বলতে পারব না। তবে আমরা যে ব্যবস্থা করছি, পুরোটাই ডিজিটাল করার চেষ্টা করছি। চট্টগ্রাম বন্দরও পুরোটাই ডিজিটাল হবে। তখন আশাকরি চাঁদাবাজি কমে যাবে। চাঁদাবাজি কারা করছে তা আপনারা ভালো করে জানেন। আমি বলতে পারব না। বাট এগুলো কমে যাবে। আমি নাম জানি না, কিন্তু চাঁদাবাজি হচ্ছে। হচ্ছে না? হচ্ছে কি হচ্ছে না আপনারাই বলেন। আমি তো ইনভেস্টিগেট করি না। আমি তো ইনভেস্টিগেটর না।

    সোমবার (১০ নভেম্বর) সকালে নগরের বে টার্মিনাল এলাকায় পরিবহন টার্মিনাল উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। এ সময় বন্দর চেয়ারম্যানসহ বন্দর ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    উপদেষ্টা বলেন, আমি প্রথম যখন বে টার্মিনাল এলাকায় এসেছিলাম তখন একটা বিতর্ক ছিল বে টার্মিনাল করা হবে কি হবে না। দেখলাম জায়গাটি। এখানে ব্রেক ওয়াটার হবে। আমি দেখলাম এটা খুবই আদর্শ জায়গা। চট্টগ্রাম বন্দর প্রধান বন্দর। যদিও আমাদের আরও কিছু বন্দর আছে। চট্টগ্রাম বন্দর দিন দিন বিজি হচ্ছে। বে টার্মিনাল পুরোনো প্রজেক্ট। আমরা সিদ্ধান্ত দিয়েছি এ টার্মিনাল হবে। এরপর বহুদূর আমরা এগিয়েছি। এখানে দুইটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ডাইরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট করছে। সরকার টু সরকার পদ্ধতিতে এখানে কাজ হবে।
  • বাবাকে হত্যার মামলায় ছেলে গ্রেপ্তার

    বাবাকে হত্যার মামলায় ছেলে গ্রেপ্তার

    চট্টগ্রাম: সাতকানিয়া থানায় পারিবারিক বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতে বাবা আহমেদ হোসেন খুনের ঘটনায় ছেলে রিয়াদ হোসেনকে (২৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    সোমবার (১০ নভেম্বর) ভোরে বাঁশখালী উপজেলার পুকুরিয়া চৌমুহনী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    এর আগে রোববার (৯ নভেম্বর) রাতে সাতকানিয়া উপজেলার কাঞ্চনা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের নয়াপাড়া খুন হয়েছিলেন আহমেদ হোসেন।
    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রোববার রাতে পারিবারিক কলহ নিয়ে আহমেদ হোসেনের সঙ্গে তাঁর ছেলে রিয়াদ হোসেনের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে রিয়াদ ছুরি দিয়ে বাবার গলার ডান পাশে আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় আহমেদ হোসেনকে সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।

    সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী বাংলানিউজকে বলেন, পারিবারিক বিরোধের জেরে ছেলের ছুরিকাঘাতে বাবা আহমেদ হোসেন খুনের ঘটনায় ছেলে রিয়াদ হোসনকে সোমবার ভোরে বাঁশখালী উপজেলার পুকুরিয়া চৌমুহনী এলাকায় শ্বশুর বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আহমেদ হোসেনের স্ত্রী বাদী হয়ে সাতকানিয়া থানায় হত্যা মামলা করা হয়েছে।